বেকায়দায় ফেলে ভূমির দখল নিতে বদনাম রটাচ্ছে প্রতিপক্ষ সংবাদ সম্মেলনে রাজু আহমদের অভিযোগ





প্রতিপক্ষরা আমার বদনাম করে ভিটভূমি দখল নিতে চায়- সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ নেতা রাজু আহমদ। 

 ভিটভূমির দখল নিতে প্রতিবেশিরাই প্রতিপক্ষ হয়ে মানক্ষুন্ন করে বেকায়দায় ফেলতে বিভিন্ন বদনাম রটাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ছাত্রলীগ নেতা রাজু আহমদ।

তিনি বলেন, প্রতিপক্ষরা চাচ্ছে আমাদের ৩৪৪ দাগের মৌরসী মালিকানা ভিটভূমির দখল নিতে। এ জন্য তারা কৌশলে সমাজের চোখে খারাপ বানানোর চেষ্টা করছে যাতে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে সহযোগীতা না পাই।   

রাজু আহমদ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামের আলী আহমদের ছেলে ও ৭নং সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) বেলা ২টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন, তার পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা দিলু মিয়ার ছেলে শাহেদ আহমদ গত বুধবার (১৩ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেন। বলা হয়, তার চাচাতো ভাই মরহুম সুনু মিয়ার ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাজিদুর রহমানের ভূমি নাকি তিনি দখলের পায়তারা করছেন। মূলত; তার ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের চেষ্টায় ভূমিখেকো, সন্ত্রাসীচক্র, মাদকসেবী ও বিক্রেতা বলতেও কুন্ঠাবোধ করেননি তারা। এরমূলে রয়েছে জায়গার দখল নেওয়ার চেষ্টা। যা স্থানীয় প্রশাসনও অবগত আছে।

তিনি বলেন, তারা কেবল আমার বদনাম করেনি, আমার সংগঠনেরও বদনাম করেছে। অথচ যেসব অভিযোগ খন্ডন করেছে তারা, সেসব অভিযোগে আদৌ আমার বিরুদ্ধে কোথাও কোনো মামলাও নেই। আর এই সাজিদুর রহমান লন্ডনে বসে আমাদের ভিটেমাটি দখলের উদ্দেশ্যে স্বপরিবাওে তাকে মামলায় জড়ানোর নীল নকশা করছেন। প্রশাসনও এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয়পক্ষকে থানা সার্কেল (এএসপি) দলিলাদি নিয়ে যেতে বলেন।

রাজু আহমদ বলেন, সাজিদুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে অভিযোগ করেন তার মালিকানা ৩৪৬ দাগের ৭৯ শতক চারা ভূমি নাকি দখল করে আছি। কিন্তু এ নিয়ে থানায় সালিশে বসে দেখা যায়, ওই জায়গা তাদেরই দখলে। এরপরও পুলিশ কর্মকর্তা সার্ভেয়ার নিয়ে সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ দিনের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলেও প্রতিবেশি প্রতিপক্ষ পাশ কাটিয়ে এসে সংবাদ সম্মেলন করে ৩৪৪ দাগের জায়গার উপর অভিযোগ করে। অথচ ওই দাগের  ৯১ শতক ভূমির ৪৪ শতকে তাদের বসত বাড়ি। আর যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাজিদুর রহমানের বসতভিটে আরো দুই বাড়ি ছাড়িয়ে। তিনি মৌরসী সম্পত্তি থেকে তাদেও উৎখাত করতে টাকা দিয়ে স্থানীয় লোকজনকে পক্ষে নিয়ে দুস্কর্ম করাচ্ছেন। 

বিশেষ করে প্রতিপক্ষের দুলু মিয়ার ছেলে সাহেদ আহমদ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আর আলতাজ মিয়া ছেলে আনিছ আহমদ জামাতের সক্রিয় কর্মী। তাছাড়া মৃত চুনু মিয়ার ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাজিদুর রহমান বহু বিবাহে আসক্ত। দেশে ফিরে টাকার লালস দেখিয়ে দরিদ্র পরিবারের সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করে ফেলে যাওয়ার একাধিক অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। সাজিদুর রহমান যুক্তরাজ্য থেকে জামায়াত কর্মী আনিছের কাছে টাকা পাঠিয়ে তাকে ও শাহেদকে দিয়েই বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড ও মামলা দিয়ে মানুষকে নির্যাতন করে থাকেন। একই অবস্থার পূণরাবৃত্তি তাদের বেলায়ও হয়েছে, দাবি করেন ছাত্রলীগ নেতা রাজু। 

মূলত; তাদেও বিপদে ফেলে কাবু করতে ভূমিখেকোচক্র, সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী ছাড়াও সব অপরাধে অপরাধী হিসেবে আখ্যা দিয়ে যাচ্ছে। তারা এও অভিযোগ করেছেন, আমি নাকি তথাকথিত ছাত্রলীগ নেতা। আমার হুমকীতে নাকি সাজিদুর রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। দু:খজনক ব্যাপার হলো, আমাদের বাস্তুভিটের দখল নিতে আমাকে সন্ত্রাসী হিসেবে উপস্থাপন করেছে তারা। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার সৈয়দপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের দিলু মিয়ার পুত্র শাহেদ আহমদকে দিয়ে তার চাচাতো ভাই একই গ্রামের মরহুম সুনু মিয়ার ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. সাজিদুর রহমান বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। টাকার গরমে তারা যখন তখন সন্ত্রাসী দ্বারা হামলা চালিয়ে রক্তপাত ঘটানোর পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। কেবল ভূমির দখল নিতে তাদের বিরুদ্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে থানায় একাধিক অভিযোগ দিলেও কোনো অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ-লালন তার পথচলা। আর ভিটভূমি বাধা দেওয়া কোন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে পড়ে কিনা, সমাজ ও প্রশাসনের কাছে তার এই প্রশ্ন। ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজু আহমদেও বাবা আলী আহমদ, চাচা নুর আহমদ, সৈয়দ ফিরুক মিয়া ও আব্দুর রাজ্জাক।  রাজু আহমদ। 

 ভিটভূমির দখল নিতে প্রতিবেশিরাই প্রতিপক্ষ হয়ে মানক্ষুন্ন করে বেকায়দায় ফেলতে বিভিন্ন বদনাম রটাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ছাত্রলীগ নেতা রাজু আহমদ।

তিনি বলেন, প্রতিপক্ষরা চাচ্ছে আমাদের ৩৪৪ দাগের মৌরসী মালিকানা ভিটভূমির দখল নিতে। এ জন্য তারা কৌশলে সমাজের চোখে খারাপ বানানোর চেষ্টা করছে যাতে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে সহযোগীতা না পাই।   

রাজু আহমদ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামের আলী আহমদের ছেলে ও ৭নং সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) বেলা ২টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন, তার পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা দিলু মিয়ার ছেলে শাহেদ আহমদ গত বুধবার (১৩ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেন। বলা হয়, তার চাচাতো ভাই মরহুম সুনু মিয়ার ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাজিদুর রহমানের ভূমি নাকি তিনি দখলের পায়তারা করছেন। মূলত; তার ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের চেষ্টায় ভূমিখেকো, সন্ত্রাসীচক্র, মাদকসেবী ও বিক্রেতা বলতেও কুন্ঠাবোধ করেননি তারা। এরমূলে রয়েছে জায়গার দখল নেওয়ার চেষ্টা। যা স্থানীয় প্রশাসনও অবগত আছে।

তিনি বলেন, তারা কেবল আমার বদনাম করেনি, আমার সংগঠনেরও বদনাম করেছে। অথচ যেসব অভিযোগ খন্ডন করেছে তারা, সেসব অভিযোগে আদৌ আমার বিরুদ্ধে কোথাও কোনো মামলাও নেই। আর এই সাজিদুর রহমান লন্ডনে বসে আমাদের ভিটেমাটি দখলের উদ্দেশ্যে স্বপরিবাওে তাকে মামলায় জড়ানোর নীল নকশা করছেন। প্রশাসনও এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয়পক্ষকে থানা সার্কেল (এএসপি) দলিলাদি নিয়ে যেতে বলেন।

রাজু আহমদ বলেন, সাজিদুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে অভিযোগ করেন তার মালিকানা ৩৪৬ দাগের ৭৯ শতক চারা ভূমি নাকি দখল করে আছি। কিন্তু এ নিয়ে থানায় সালিশে বসে দেখা যায়, ওই জায়গা তাদেরই দখলে। এরপরও পুলিশ কর্মকর্তা সার্ভেয়ার নিয়ে সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ দিনের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলেও প্রতিবেশি প্রতিপক্ষ পাশ কাটিয়ে এসে সংবাদ সম্মেলন করে ৩৪৪ দাগের জায়গার উপর অভিযোগ করে। অথচ ওই দাগের  ৯১ শতক ভূমির ৪৪ শতকে তাদের বসত বাড়ি। আর যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাজিদুর রহমানের বসতভিটে আরো দুই বাড়ি ছাড়িয়ে। তিনি মৌরসী সম্পত্তি থেকে তাদেও উৎখাত করতে টাকা দিয়ে স্থানীয় লোকজনকে পক্ষে নিয়ে দুস্কর্ম করাচ্ছেন। 

বিশেষ করে প্রতিপক্ষের দুলু মিয়ার ছেলে সাহেদ আহমদ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আর আলতাজ মিয়া ছেলে আনিছ আহমদ জামাতের সক্রিয় কর্মী। তাছাড়া মৃত চুনু মিয়ার ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাজিদুর রহমান বহু বিবাহে আসক্ত। দেশে ফিরে টাকার লালস দেখিয়ে দরিদ্র পরিবারের সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করে ফেলে যাওয়ার একাধিক অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। সাজিদুর রহমান যুক্তরাজ্য থেকে জামায়াত কর্মী আনিছের কাছে টাকা পাঠিয়ে তাকে ও শাহেদকে দিয়েই বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড ও মামলা দিয়ে মানুষকে নির্যাতন করে থাকেন। একই অবস্থার পূণরাবৃত্তি তাদের বেলায়ও হয়েছে, দাবি করেন ছাত্রলীগ নেতা রাজু। 

মূলত; তাদেও বিপদে ফেলে কাবু করতে ভূমিখেকোচক্র, সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী ছাড়াও সব অপরাধে অপরাধী হিসেবে আখ্যা দিয়ে যাচ্ছে। তারা এও অভিযোগ করেছেন, আমি নাকি তথাকথিত ছাত্রলীগ নেতা। আমার হুমকীতে নাকি সাজিদুর রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। দু:খজনক ব্যাপার হলো, আমাদের বাস্তুভিটের দখল নিতে আমাকে সন্ত্রাসী হিসেবে উপস্থাপন করেছে তারা। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার সৈয়দপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের দিলু মিয়ার পুত্র শাহেদ আহমদকে দিয়ে তার চাচাতো ভাই একই গ্রামের মরহুম সুনু মিয়ার ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. সাজিদুর রহমান বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। টাকার গরমে তারা যখন তখন সন্ত্রাসী দ্বারা হামলা চালিয়ে রক্তপাত ঘটানোর পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। কেবল ভূমির দখল নিতে তাদের বিরুদ্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে থানায় একাধিক অভিযোগ দিলেও কোনো অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ-লালন তার পথচলা। আর ভিটভূমি বাধা দেওয়া কোন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে পড়ে কিনা, সমাজ ও প্রশাসনের কাছে তার এই প্রশ্ন। ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজু আহমদেও বাবা আলী আহমদ, চাচা নুর আহমদ, সৈয়দ ফিরুক মিয়া ও আব্দুর রাজ্জাক।

0 Comments